উদ্দীপকটি পড় এবং ৩ ও ৪ নং প্রশ্নের উত্তর দাও:-
'X' তার ডিজিটাল ডিভাইসে নতুন সফটওয়ার ব্যবহার করতে পারে না। বর্তমানে এক নতুন সার্ভিস গ্রহণ করায় অটো আপডেট, উচ্চ গতিসম্পন্ন ডিজিটাল সুবিধা পায়।

 

Updated: 9 months ago
  • ব্লুটুথ
  • ওয়াইফাই
  • ওয়াইম্যাক্স
  • ক্লাউড কম্পিউটিং
2.4k
ব্যাখ্যাঃ

উদ্দীপকে 'X' যে নতুন সার্ভিস গ্রহণ করার ফলে অটো আপডেট এবং উচ্চ গতিসম্পন্ন ডিজিটাল সুবিধা পাচ্ছে, তা ক্লাউড কম্পিউটিং-এর একটি বৈশিষ্ট্য। ক্লাউড কম্পিউটিং হলো ইন্টারনেটভিত্তিক কম্পিউটিং যেখানে ব্যবহারকারীরা কম্পিউটার হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যার নিজেদের কাছে না রেখে ইন্টারনেটের মাধ্যমে কোনো ক্লাউড সার্ভিস প্রোভাইডারের সার্ভার থেকে সেবা গ্রহণ করে। এই সেবার মাধ্যমে ব্যবহারকারীরা প্রয়োজনে যেকোনো স্থান থেকে যেকোনো ডিজিটাল ডিভাইস ব্যবহার করে ডেটা বা সফটওয়্যার অ্যাক্সেস করতে পারে এবং প্রায়শই স্বয়ংক্রিয় আপডেট ও উচ্চ গতির সুবিধা পেয়ে থাকে।

অন্যান্য অপশনগুলো প্রাসঙ্গিক নয়:

        
  • ব্লুটুথ (Bluetooth): এটি স্বল্প-পাল্লার বেতার প্রযুক্তি যা দুটি ডিভাইসের মধ্যে ডেটা আদান-প্রদানে ব্যবহৃত হয়। এটি সফটওয়্যার আপডেট বা উচ্চ গতিসম্পন্ন ডিজিটাল সুবিধা প্রদানের কোনো সার্ভিস নয়।
  •     
  • ওয়াইফাই (Wi-Fi): এটি একটি বেতার লোকাল এরিয়া নেটওয়ার্ক (WLAN) প্রযুক্তি যা ডিভাইসের ইন্টারনেট সংযোগের জন্য ব্যবহৃত হয়। এটি কেবল সংযোগ প্রদান করে, স্বয়ংক্রিয় সফটওয়্যার আপডেট বা ডিজিটাল সুবিধা প্রদানকারী সার্ভিস নয়।
  •     
  • ওয়াইম্যাক্স (WiMAX): এটি দীর্ঘ-পাল্লার বেতার ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট অ্যাক্সেস সরবরাহকারী একটি প্রযুক্তি। ওয়াইফাই-এর মতোই এটি ইন্টারনেট সংযোগের একটি মাধ্যম, কিন্তু সরাসরি সফটওয়্যার সার্ভিস বা আপডেটের সঙ্গে এর সম্পর্ক নেই।

সুতরাং, প্রদত্ত বর্ণনার সাথে ক্লাউড কম্পিউটিং সবচেয়ে সঙ্গতিপূর্ণ।

Satt AI
Satt AI
2 months ago

আমরা সবাই জানি, তথ্য প্রযুক্তির উৎকর্ষতার দরুন আজকের যুগে আমরা নিজের ঘরের কোণে বসে নিজস্ব ছোট্ট কম্পিউটারে ইন্টারনেট সংযোগের মাধ্যমে একটি বিশালাকার কম্পিউটারকে ভাড়ার মাধ্যমে যথেচ্ছা ব্যবহার করতে পারি এবং আমাদের যাবতীয় গুরুত্বপূর্ণ তথ্য সেই কম্পিউটারে সংরক্ষণও করতে পারি। এই বিশালাকার কম্পিউটারের ধারণাটিই ক্লাউড কম্পিউটিং।

আধুনিক তথ্য প্রযুক্তিগত সবকিছুই চলছে এই ক্লাউড কম্পিউটিং ধারণার উপর ভিত্তি করে। 'ক্লাউড' শব্দটি রূপক অর্থে ব্যবহৃত। ইন্টারনেট ব্যবহারের মাধ্যমে যে কোনো ব্যবহারকারী পৃথিবীর যে কোনো প্রান্ত থেকে ক্লাউড কম্পিউটিংয়ের সুবিশাল তথ্যভান্ডার দীর্ঘ মেয়াদে ব্যবহার এবং সংরক্ষণ করতে পারেন। আমরা বর্তমানে যারা কম্পিউটার বা মোবাইল ফোনে ইন্টারনেট ব্যবহার করি তাদের প্রায় সবারই Facebook, E-mall বা অন্যান্য সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের একাউন্ট রয়েছে। আমরা ইচ্ছানুযায়ী এসব একাউন্টের মাধ্যমে স্টেটাস দিচ্ছি কিংবা মেইল আদান-প্রদান করে থাকি। এসব সেবা গ্রহণের জন্য আমাদেরকে কোনো টাকা খরচ করতে হয় না। কেননা, পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে এইসব সার্ভিস বা সেবা প্রদানকারী বেশকিছু কোম্পানীর বিগলু সংখ্যক সার্ভার রয়েছে, যার মাধ্যমে ভারা অসংখ্য ক্লায়েন্টকে একই সময়ে সার্ভিস প্রদান করে যাচ্ছেন। আবার কিছু সংখ্যক সার্ভিস রয়েছে যেগুলো অর্থের বিনিময়ে ইন্টারনেটের মাধ্যমে বিভিন্ন সেবা দান করে থাকেন। বিনামূল্যের এবং অর্থের বিনিময়ে উভয় প্রকার সার্ভিস ক্লাউড কম্পিউটিংয়ের অন্তর্গত। এক্ষেত্রে কম্পিউটার রিসোর্স যেমন- হার্ডওয়্যার, সফটওয়্যার, নেটওয়ার্ক ইত্যাদি সার্ভিস প্রদানকারী প্রতিষ্ঠানের তত্ত্বাবধানে থাকে, ক্রেতা বা ব্যবহারকারী নিজস্ব কম্পিউটার ব্যবহার করে ইন্টারনেটের মাধ্যমে সার্ভিসদাতা সার্ভারের সাথে সংযোগ স্থাপন করে প্রয়োজনীয় কম্পিউটিংয়ের কাজ সমাধা করে থাকে। ক্লাউড কম্পিউটিংকে সমন্বিত টেকনোলজি হিসেবে গণ্য করা হয়, যার দ্বারা ব্যবহারকারী এবং সার্ভিস প্রদানকারী উভয়ই ব্যবসায়িকভাবে লাভবান হয়ে থাকেন।

ক্লাউড কম্পিউটিং পদ্ধতিকে প্রধানত তিন ভাগে ভাগ করা যায়। যথা-

প্রাইভেট ক্লাউড (Private Cloud) : একক প্রতিষ্ঠান নিজস্ব মালিকানা ও ব্যবস্থাপনায় কিংবা থার্ড পার্টির ব্যবস্থাপনায় পরিচালিত হয় যাতে অভ্যন্তরীণ বা বাহ্যিকভাবে প্রতিষ্ঠিত হতে পারে, এ ধরনের ক্লাউডকে প্রাইভেট ক্লাউড বলে। এ সব পরিচালনা অত্যন্ত ব্যয়বহুল, তবে অনেক বড়ো প্রতিষ্ঠানের অনেক শাখায় ডেটা সেন্টার না বসিয়ে একটিমাত্র ক্লাউড ডেটা সেন্টার স্থাপন করলে প্রতিষ্ঠানটির জন্য সাশ্রয়ী হয়।

পাবলিক ক্লাউড (Public Cloud) : জনসাধারণের জন্য উন্মুক্ত ক্লাউডকে পাবলিক ক্লাউড বলে। ইন্টারনেটের মাধ্যমে সংযুক্ত সকলের বিনামূল্যে বা স্বল্প ব্যয়ে ব্যবহারের জন্য উন্মুক্ত অ্যাপ্লিকেশন, স্টোরেজ এবং অন্যান্য রিসোর্স ইত্যাদির সার্ভিসযুক্ত ক্লাউড-ই পাবলিক ক্লাউড। Amazon, Microsoft এবং Google ইত্যাদি তাদের নিজস্ব ডেটা সেন্টারে পাবলিক ক্লাউডের অবকাঠামো স্থাপন ও পরিচালনা করার মাধ্যমে বিভিন্ন ধরনের সার্ভিস প্রদান করে থাকে।

হাইব্রিড ক্লাউড (Hybrid Cloud) : দুই বা ততোধিক ধরনের ক্লাউড (প্রাইভেট, পাবলিক বা কমিউনিটি) -এর সংমিশ্রণই হলো হাইব্রিড ক্লাউড। বিভিন্ন ধরনের ক্লাউড পৃথক বৈশিষ্ট্যের হলেও এক্ষেত্রে একই সাথে সংঘবদ্ধভাবে কাজ করে। ক্লাউড সার্ভিসের ক্ষমতাবৃদ্ধির জন্য একাধিক ক্লাউডকে একীভূত করা হয়ে থাকে।

Related Question

View All
Updated: 8 months ago
  • আবহাওয়া পূর্বাভাসে কম্পিউটার ব্যবহার পদ্ধতি
  • ইন্টারনেটের মাধ্যমে কম্পিউটিং সেবা প্রদান
  • ইন্টারনেট বিহীন ডিস্ট্রিবিউটেড কম্পিউটিং
  • লোকাল সার্ভার-ভিত্তিক কম্পিউটিং
209
Updated: 1 year ago
  • ক্লাউড কম্পিউটিং
  • ওয়াই-ফাই
  • ওয়াই-ম্যাক্স
  • ব্লুটুথ
581
Updated: 1 year ago
  • যখন চাহিদা তখন সার্ভিস
  • যত চাহিদা তত সার্ভিস
  • যাহাই চাহিদা, তাহাই সার্ভিস
  • যখন ব্যবহার, তখন মূল্যশোধ
148
Updated: 1 year ago
  • ওয়ান ড্রাইভ
  • গুগল ড্রাইভ
  • হার্ড ড্রাইভ
  • ড্রপবক্স
511
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews

Question Analytics

মোট উত্তরদাতা

জন

সঠিক
ভুল
উত্তর নেই